eb33 অ্যাপ কেন বাংলাদেশিদের প্রথম পছন্দ?
বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কম খরচে ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়ার কারণে এখন গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে শহর – সব জায়গার মানুষ অনলাইনে বিনোদন খুঁজছেন। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই eb33 তাদের মোবাইল অ্যাপটা এমনভাবে তৈরি করেছে যেটা সত্যিকার অর্থেই দেশের মানুষের কথা ভেবে বানানো।
প্রথম কথা হলো ভাষা। eb33 অ্যাপ পুরোটাই বাংলায় ব্যবহার করা যায়। মেনু, নির্দেশনা, নোটিফিকেশন – সব বাংলায়। অনেক বিদেশি প্ল্যাটফর্ম আছে যেগুলোর অ্যাপ ইংরেজি বা হিন্দিতে, সেখানে বুঝতে অসুবিধা হয়। eb33-এ সেই সমস্যা নেই।
দ্বিতীয়ত, পেমেন্ট পদ্ধতি। বিকাশ, নগদ আর রকেট – এই তিনটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। eb33 অ্যাপে এই তিনটিই সমানভাবে কাজ করে। ডিপোজিট বা উইথড্র করতে মাত্র কয়েকটা ট্যাপই যথেষ্ট।
ছোট ফোনেও দারুণ চলে
বাংলাদেশে অনেকেই মিড-রেঞ্জ বা এন্ট্রি-লেভেল Android ফোন ব্যবহার করেন। ২ জিবি র্যামের ফোনেও eb33 অ্যাপ মসৃণভাবে চলে। অ্যাপটা লাইটওয়েট রাখা হয়েছে যাতে কম স্টোরেজের ফোনেও সমস্যা না হয়। এ ছাড়া ডেটা সেভার মোড থাকায় যাদের মোবাইল ডেটা প্যাক সীমিত, তারাও অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন।
নিরাপত্তায় আপোস নেই
অনলাইনে টাকা লেনদেনের বিষয়টায় অনেকেই একটু সতর্ক থাকেন – এটা স্বাভাবিক। eb33 অ্যাপে SSL এনক্রিপশন, দুই-ধাপের যাচাইকরণ এবং বায়োমেট্রিক লক সুবিধা রয়েছে। কেউ আপনার ফোন চুরি করলেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট ছাড়া অ্যাপে ঢুকতে পারবে না। প্রতিটি লেনদেনে SMS নিশ্চিতকরণ পাঠানো হয়।
Android ফোনে APK ইনস্টল করতে "Unknown Sources" চালু করতে হয়। এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ কারণ eb33-এর APK সরাসরি অফিশিয়াল সাইট থেকে নেওয়া। ইনস্টলের পরে চাইলে সেটিংটা আবার বন্ধ করে দিতে পারেন।